উচ্চ মাধ্যমিকের পর সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ

প্রতিবছর এইচ.এস.সি পরীক্ষায় লক্ষাধিক শিক্ষার্থী উর্ত্তীণ হয়ে উচ্চতর শিক্ষা জীবন শুরু করে থাকে।আজকের এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে একজন শিক্ষার্থী কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করলে তার ক্যারিয়ার ও ভবিষ্যৎ সুন্দর হতে পারে।এইচ.এস.সি ‍পরীক্ষায় পাস করার পর প্রতিটি শিক্ষার্থী নিজের পছন্দ ও যোগ্যতা অনুযায়ী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য আবেদন করে থাকে। প্রথমত একজন শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক পাস করার পর তার ইচ্ছা থাকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশুনা করার।পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে প্রথমে নাম নিতে হয় প্রাচ্যের খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যেখানে প্রতিবছর অল্প আসনের পরিপেক্ষিতে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন অনুষদ আছে যেখানে শিক্ষার্থীদের যোগ্যতার ভিত্তিতে নির্বাচিত করা হয়।ভর্তি ইচ্ছূক ছাত্র-ছাত্রীরা ভর্তি পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হত্তয়ার মাধ্যমে ভর্তির সুযোগ পেয়ে থাকে।আর যারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি চান্স পাবে না তারা বাকি আরোও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের সুযোগ পাবে সেগুলো হচ্ছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে, চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে, সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হত্তয়া যাবে।তাছাড়া যারা বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীরা তারা বুয়েট ,ঢুয়েট ,চুয়েট, কুয়েট, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং বাংলাদেশের সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজ গুলোতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে পারবে। আর যারা এসব ‍পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ও মেডিকেল কলেজ গুলোতে ভর্তি হতে ব্যর্থ হবে তাদের কিন্তু সুযোগ থাকছে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করার। আজকাল প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করেও ভাল ক্যারিয়ার গড়ে তোলা সম্ভব, সেক্ষেত্রে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে জেনে নিন যে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে আপনি ভর্তি হতে চান সেটি কি? ”বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশন” ইউজিসি এর অনুমোদিত বা নিবন্ধিত কিনা । সেজন্য ভিজিট করতে পারেন ইউজিসি এর ওয়েভ সাইটিতে www.ugc.gov.bd ইউজিসি এর ওয়েভ সাইটি থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য এবং সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও ঠিকানা সহজে জানা যাবে। সেই সাথে বলতে চাই যাদের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করার সামর্থ্য বা অর্থনৈতিক অবস্থা নেই তারা অবশ্যই ভর্তি হতে পারবে দেশের সরকারি-বেসরকারি কলেজগুলোতে যেগুলো হচ্ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চার বছর মেয়াদী অনার্স (সম্মান) ও তিন বছর মেয়াদী ডিগ্রী কোর্সের ব্যবস্থা আছে।এখন অবশ্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক ৭টি সরকারি কলেজগুলোকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নেওয়া হয়েছে সেগুলো হচ্ছে ১. ইডেন মহিলা কলেজ, ২. ঢাকা কলেজ ৩. কবি নজরুল সরকারি কলেজ ৪. সরকারি তিতুমীর কলেজ ৫. সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ৬.বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ ৭. মিরপুর সরকারি বাংলা কলেজ । আর যারা একটু অন্যরকম চিন্তা ধারার তারা পড়াশুনা করতে পারেন chartered accountancy যা পরিচালিত ICAB দ্বারা ঢাকার কাওরান বাজারে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানটি তে পড়তে এইচ.এস.সি ও এস.এস.সি তে ভাল ফলাফল হতে হবে। এছাড়া UK খ্যাত chartered accountancy, ACCA করা যায় এইচ.এস.সি এর পর পরই এবং যারা উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করতে দেশের বাহিরে যেতে ইচ্ছূক তারা এইচ.এস.সি পরীক্ষায় উর্ত্তীণ হওয়ার পর পরই প্রস্তুতি গ্রহণ করতে পারে । IELTS কোর্স সহ বা IELTS ছাড়া বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবেন।আশাকরি এই সব দিক-নির্দেশনা গুলো সবার কাজে আসলে ব্লগটি সার্থক হবে বলে মনে করি ।

আরো পড়ুন- বিজ্ঞান বানান কিকোয়ান্টাম কম্পিউটার কি

 

Coolboy19

I am student my hobby writing so please help us

Leave a Reply