মুশফিকুর রহিম- যার ওপর সমসময় ভরসা করা যায়

মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশ দলে এসেছিলেন খালেদ মাসুদ পাইলটের বিকল্প হিসেবে। ২০০৫ সালে যখন পাইলট বিশ্বের অন্যতম সেরা উইকেটকিপার এবং মাঝারি মাণের ব্যাটসম্যান ছিলেন তখন তিনি নিজেই অবসরে গিয়েছিলেন(সময় ফুরিয়েছে বুঝতে পেরে)।

মুশফিকুর রহিম নিজেকে প্রমাণ করেই দলে আছেন

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে উইকেট কিপার ব্যাটসম্যান হিসেবে দুইজন সুযোগ পেয়েছিলেন- ধীমান ঘোষ এবং মুশফিকুর রহিম। মুশফিক উইকেট কিপার হিসেবে যতটা না ভালো ছিলেন, তার চেয়ে ভালো ছিলেন ব্যাটসম্যান হিসেবে। পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে এমনকি এখনও তাকে বাংলাদেশের সেরা ব্যাটসম্যান বলে অনেক বিশেষজ্ঞ এবং সাধারণ দর্শকেরাও মনে করে। ৪,৫,৬ নম্বর পজিশনে তিনি একজন বিশ্বমাণের ব্যাটসম্যান। ২০১৯ বিশ্বকাপে তিনি চারে খেলছেন এবং অসাধারণ নৈপুণ্য দেখিয়ে যাচ্ছেন। সাকিবকে যেমন খারাপ ব্যাটিং বা, বোলিং এর কারণে বাদ দিয়ে বিকল্প খুজে পাওয়া যায় না- মুশফিকুর রহিমেরও তেমন কোন বিকল্প এখনো খুজে পাওয়া যায় নি।

পরিসংখ্যান

ওয়ানডে বিশ্বকাপ চলছে তাই শুধু ওয়ানডে পরিসংখ্যানটাই দেখাবো-

  • মোট রান: ২০৭ ম্যাচ খেলে ১৯৩ ইনিংস ব্যাটিং করে ৫৬৫৫
  • সর্বোচ্চ সংগ্রহ: ১৪৪
  • এভারেজ ৩৫.১২
  • স্ট্রাইক রেট ৭৮.২৫
  • হাফ সেঞ্চুরি- ৩৪ টি, সেঞ্চুরি ৬টি

আরো পড়ুন- সৌম্য সরকার, গাজী টিভি লাইভ অনলাইন

এই পরিসংখ্যান মুশফিকের মত ব্যাটসম্যানকে পুরোপুরি তুলে ধরে না যিনি ৩২ বার অপরাজিত ছিলেন। দলের অনেক বিপদের মুহুর্তে তিনি ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন। ৯০ এ তিনি কখনো কখনো নড়বড়ে, আবার ফিনিশিং এর সময়ে ২-১ বার খেই হারিয়েছেন বটে। একেবারে নির্দ্বিধায় এই ওয়ার্ল্ডক্লাস ব্যাটসম্যানের প্রতি বাংলাদেশের ১৬ কোটি জনগণ এখনো আস্থা রাখে। বিশ্বকাপের ট্রফিটাও মনে হয় তার হাতে মানাবে।

আরো পড়ুন-  t20 ক্রিকেট খেলার নিয়মাবলী- আইসিসি কি বলে সেটাই জানাবো

 

 

admin

আমার সম্পর্কে তেমন কিছু বলার নেই। লিখতে পারি না, তাই সবার লেখার জন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরির চেষ্টা করছি।

Leave a Reply

error: Content is protected !!