আবু জায়েদ চৌধুরী রাহী- বাংলাদেশ দলে সবচেয়ে বড় চমক

আবু জায়েদ চৌধুরী রাহী এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় চমক। কেউ চিন্তাও করতে পারেনি সে বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাবে। নির্বাচকদের দল ঘোষণার আগে সে নিজেও ভেবেছিলো কি না আমার সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে। ছেলেটার বয়স ২৫ বছর, জাতীয় দলে এখনো অভিষেকই হয় নি। সৌম্য, ইমরুল, লিটন , মোসাদ্দেক এদের নিয়ে অনেক ধরণের তর্ক- বিতর্কের ঝড় উঠেছে, কিন্তু রাহীকে নিয়ে তেমন আলোচনাই শোনা যাচ্ছে না।

বিশ্বকাপেই কি রাহীর অভিষেক হবে?

এটা সবার যেমন প্রশ্ন, আমারো প্রশ্ন। আমরা যারা অন্তত ২-৩ টা বিশ্বকাপ দেখেছি তারা এটা বুঝি যে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার ছাড়া বিশ্বকাপে সাধারণত এই ধরণের চমক জাগানো নতুন খেলোয়াড়রা তেমন কিছু করতে পারে না, আর বিশ্বকাপ তো পরীক্ষার জায়গা না। যদি তার অভিষেক হয় আমি আশা করবো যেন সে সত্যিই চমক দেখায়(পজিটিভ অর্থে)।

পরিসংখ্যান দেখে আসিঃ  প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে তার ইকনমি রেট ৩.৫৩ এবং সেরা বোলিং ফিগার ২৫ রান দিয়ে ৬ উইকেট। বেশ আশা জাগানিয়া। কিন্তু, লিস্ট এ ক্রিকেটে তার পারফরম্যান্স আশা জাগাচ্ছে না- ৫.৪৬ ইকনমি রেট আর, ৪২ রান দিয়ে ৪ উইকেট তার সেরা পারফরম্যান্স। এই ছেলেটি টেস্ট এবং টি টুয়েন্টি খেলেছে- টেস্টে ৭ ইনিংসে ৩৯.৩৬ এভারেজে তার উইকেটসংখ্যা ১১। টি টুয়েন্টির ৩ ইনিংসে ২৬.৫০ এভারেজে উইকেট সংখ্যা ৪।

২০১৯ বিশ্বকাপে বিভিন্ন দলের প্রতিষ্ঠিত ব্যাটসম্যানরা তার বোলিংকে কিভাবে নেবে সেটাই দেখার বিষয়

এর আগে একজন সিলেটি বাংলাদেসের জাতীয় দলে খেলতেন যার কথা আমার মনে আছে- রাজীন সালেহ। রাজীন সালেহ তার ব্যাটিং দিয়ে তার সময়ে বাংলাদেশ দলে উল্লেখ করার মত অবদান রাখতে পেরেছিলেন- তার সেঞ্চুরি ছিলো, স্ট্রাইক রেট, এভারেজ এগুলোও খুব একটা খারাপ ছিলো না- তিনি স্পিন বল করতে পারতেন। এখন দেখার বিষয় নতুন সিলেটি ছেলেটি বাংলাদেশকে কি দিতে পারে?

 

admin

আমার সম্পর্কে তেমন কিছু বলার নেই। লিখতে পারি না, তাই সবার লেখার জন্য প্ল্যাটফর্ম তৈরির চেষ্টা করছি।

Leave a Reply